Tuesday, August 14, 2018
কারওয়ান বাজারে সবজির আড়তে চলছে ইরানি ছবির শুটিং ভিডিও
কারওয়ান বাজারে সবজির আড়তে চলছে ইরানি ছবির শুটিং ভিডিও
রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কারওয়ান বাজারের সবজির আড়তে চলছে ইরানি ছবির শুটিং। ছবির নাম ‘শাবি কে মহ কমেল শোদ’ বাংলায় অর্থ দাঁড়ায় ‘যে রাতে চাঁদ পূর্ণতা পেয়েছিল’।শুটিং ইউনিটের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায় শুধু কারওয়ান বাজার নয়, নিউ মার্কেটসহ ঢাকার কয়েকটি লোকশনে চলছে এই ছবির শুটিং। চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত।শুধু বাংলাদেশ নয়, এই ছবিটির দৃশ্যধারণ করা হবে ইরান ও পাকিস্তানে। গল্পের প্রয়োজনে বাংলাদেশে এটির শুটিং হচ্ছে বলে জানান ছবিটির উপদেষ্টা মুমিত আল রশিদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই ছবির বিশ ভাগ শুটিং হবে। তারপরেই শুটিং হবে পাকিস্তানে।‘শাবি কে মহ কমেল শোদ’ একটি রোমান্টিক গল্পের ছবি। ছবিটি নির্মাণ করছেন নার্গিস অবইয়ার। বাংলাদেশেও মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন এলনাজ শাকেরদুস্ত, হুতান শাকিবা, ফেরেশতে সাদরে উরাফায়ি।ইরানি নির্মাতাদের মধ্যে অন্যতম নার্গিস আবইয়ার। গেল ৯০তম অস্কার অ্যাওয়ার্ড-এর আসরে বিদেশি ভাষার ছবির শাখায় অন্যান্য দেশের ছবির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেছে ইরান-ইরাক যুদ্ধ নিয়ে তার তৈরি ‘ব্রেথ’। ছবিতে একটি শিশুর সুন্দর কল্পনা জগত দেখানো হয় এবং সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় ১৯৮০ সালের ইরাক-ইরান যুদ্ধের অশান্তিতে। ছবিটি প্রযোজনা করেছিলেন নার্গিস আবইয়ারের স্বামী মোহাম্মাদ হোসেইন কাশেমি।ব্রেথ ছাড়াও নার্গিস নির্মাণ করেছেন অবজেক্ট ইন মিরর এবং ট্র্যাক ১২৩ নামের দুটি ফিচার ফিল্ম। এছাড়া আছে বেশ কয়েকটি ডকুফিল্ম। এরমধ্যে ওয়ান ডে আফটার দ্য টেন ডে, দ্য এন্ড ডে এবং কাইন্ড ডেড এন্ড উল্লেখযোগ্য। কারওয়ান বাজারে সবজির আড়তে চলছে ইরানি ছবির শুটিং ভিডিও,
সত্যিই ভয়ঙ্কর মাটি খুঁড়তেই বের হয়ে এল দানবীয় পা! আর এটা কিসের পা দেখ...
সত্যিই ভয়ঙ্কর মাটি খুঁড়তেই বের হয়ে এল দানবীয় পা! আর এটা কিসের পা দেখলে গাঁ শিউরে উঠবে ভিডিও
সবার চোখের আড়ালে মাটির নীচেই বেড়ে উঠেছিল এই 'দানবীয় পা'। মাটি থেকে সেটাকে তোলার পর আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হয়ে গেল কৃষক দম্পতির! রীতিমতো মানুষের পা! পাঁচটি আঙুলও আছে এতে। দক্ষিণ ব্রাজিলের সান্তা কান্তারিনা প্রদেশের মেলেইরো শহরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিরর। তাহলে ঘটনাটি ঠিক কী?মারলি এবং পাউলো চিকুইনেল নামের এই কৃষক দম্পতি তাঁদের আলু ক্ষেত থেকেই উদ্ধার করেছেন ৮ কেজি ওজনের এই 'পা'। এটি কোনো অজানা প্রাণীর জীবাশ্ম নয়, এই 'পা' আসলে একটি অস্বাভাবিক আলু। পাঁচটি আঙুল, পায়ের পাতা, এবং গোড়ালি সমেত পুরোপুরি একটি মানুষের পা। তার গায়ে শিকড় এমনভাবে ছড়িয়ে রয়েছে সেগুলোকে মানুষের পায়ের লোমের মতোই লাগছে! চিকুইনেল দম্পতি নিজেদের জন্যই কৃষিকাজ করেন। বাড়ির পিছনেই তাঁদের খামার। সেখানেই জন্মেছে এই বিচিত্র আলু। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মরালি বলেছেন, তাদের কৃষিজীবনের অভিজ্ঞাতায় এই ঘটনা নজিরবিহীন। এই আলুটিকে তারা খাওয়ার বদলে প্রদর্শনীতে রাখতেই বেশি আগ্রহী। সেই সঙ্গে তিনি একথাও স্বীকার করেছেন যে, আলুটিকে মাটি খুঁড়ে তোলার পরে তারা রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। সত্যিই ভয়ঙ্কর মাটি খুঁড়তেই বের হয়ে এল দানবীয় পা! আর এটা কিসের পা দেখলে গাঁ শিউরে উঠবে ভিডিও,
ঈদের দিনও এক টুকরো মাংস না পাওয়া দু’ভাই এবার সবচেয়ে বড় গরুটি কোরবানি ...
ঈদের দিনও এক টুকরো মাংস না পাওয়া দু’ভাই এবার সবচেয়ে বড় গরুটি কোরবানি দিচ্ছে ভিডিও
ফজলুর রহমান সরদার (৫৫)। যশোরের শার্শা উপজেলার শিয়ালকোনা গাতিপাড়া গ্রামের দীন আলি সরদারের ছেলে। তিন ভায়ের মধ্যে সে দ্বিতীয়। ছোট ভাই আলাদা সংসার করলেও তিনি ও তার বড় ভাই বাবলুর রহমান সরদারের এক সংসারেই বসবাস। এ বছর শার্শা উপজেলায় এককভাবে সবচেয়ে বড় গরু ও ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই দুই ভাই। প্রতিদিন মানুষ এই গরু দেখতে ভিড় করছেন তাদের বাড়িতে।স্মৃতিচারণ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ফজলুর রহমান বলেন, ‘১৯৯৬ সাল। আমরা দু’ভাই ভ্যান চালিয়ে কোনো রকম সংসার চালাতাম। ঈদের দিনও আমরা ভ্যান চালাইছি, না হলে চাল কেনা হতো না। ভ্যান চালিয়ে স্কুল মাঠে গেলাম মিসকিনের গোস্ত আনতে। কিন্তু দেরি হওয়ায় গোস্ত না দিয়ে মাতবররা আমাদের দুই ভাইকে মেরে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। ওই বছর সন্তানদের মুখে একটুকরো গোস্তও তুলে দিতি পারিনি।’‘২২ বছর আগে কোরবানির গোস্ত না পেয়ে ফিরে এসে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে বলেছিলাম আগামী বছর যাতে আমরা কোরবানি দিতে পারি সেই ক্ষমতা আমাদের দিও। মহান আল্লাহ আমাদের কথা শুনেছেন। পরের বছর দুই ভাই ভ্যান চালিয়ে টাকা জমিয়ে একটা ছাগল কোরবানি দিয়েছিলাম। তারপর থেকে আল্লাহর রহমতে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন প্রতিবছর কোরবানি দিই। চার-পাঁচ কেজি গোস্ত রেখে বাকি গোস্ত আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী ও গ্রামবাসীর মধ্যে বিলিয়ে দিই’ বলছিলেন ফজলুর।ফজলুর বলেন, এবার কোরবানির জন্য একটি গরু ও একটি ছাগল প্রস্তুত করেছি। গরুটির ১৬ থেকে ১৭ মণ আর ছাগলটির ৫০ কেজির মতো মাংস হবে।এক বছর আগে কেনা গরুটিকে সন্তানের মতো লালন পালন করছেন ফজলুরের স্ত্রী আনিছা বেগম ও ভাবি কল্পনা বেগম।কল্পনা বেগম বলেন, ‘এত বড় গরু বাইরি (বাইরে) বের করা যায় না। তাই গোয়াল ঘরের মধ্যে রেখেই পুষছি। প্রতিদিন গরুর গা (শরীর) ধুয়াই। খাবার দেই। ভালোই লাগে।’একজন ভ্যানচালক হয়ে আজ তাদের উত্থানের পেছনের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফজলুর বলেন, কুড়ি বছর আগে দুইভাই পরামর্শ করে সংসারে সুখ আনতে শেষ সম্বল জমিতে লাগানো গাছগুলো বিক্রি করি। ওই টাকা দিয়ে বড় ভাইকে মালয়েশিয়া পাঠাই। পরে বড় ভাই আমার বড় ছেলে নুরুন্নবীকেও মালয়েশিয়া নিয়ে যায়। এর পর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আল্লাহ আমাদের সবকিছু পূরণ করেছেন। আমরা এখন সুখি পরিবার।ফজলুর বাড়িতে তাদের কোরবানির বড় গরু ও ছাগল দেখতে আসা নজরুল, আলামিন ও কুদ্দুস বলেন, উপজেলায় কোনো বছরই এত বড় গরু-ছাগল কোরবানির খবর শুনিনি। তাই এখানে দেখতে এসেছি। ঈদের দিনও এক টুকরো মাংস না পাওয়া দু’ভাই এবার সবচেয়ে বড় গরুটি কোরবানি দিচ্ছে ভিডিও,
শাকিবের সাথে ছবি করা নিয়ে বুবলীর সাথে ঝামেলা যা বললেন ফারিহা ভিডিও
শাকিবের সাথে ছবি করা নিয়ে বুবলীর সাথে ঝামেলা যা বললেন ফারিহা ভিডিও
বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া আর ভারতের এসকে মুভিজের হাত ধরে ২০১৫ সালে যৌথ প্রযোজনার ‘আশিকী’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ছোট পর্দার তারকা নুসরাত ফারিয়ার। প্রথম ছবিতেই আলোচনায় আসেন উপস্থাপনা থেকে চলচ্চিত্রে আসা এই তারকা। এরপর যৌথ প্রযোজনার ‘হিরো ৪২০’, ‘বাদশা’, ‘বস ২’, ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ এবং জাজ মাল্টিমিডিয়ার একক ছবি ‘ধ্যাততেরিকি’ ও ‘প্রেমী ও প্রেমী’তে অভিনয় করেছেন। এবারই প্রথম এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের বাইরে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত ‘শাহেনশাহ’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ছবিতে তাঁর নায়ক শাকিব খান। পরিচালনা করবেন শামীম আহমেদ রনী। ২৮ আগস্ট থেকে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা আছে। জাজের বাইরে প্রথম ছবি, শাকিবের সঙ্গে প্রথম অভিনয় আর কলকাতার ছবি নিয়ে কথা বলেছেন বড় পর্দার এই তারকা।জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে আপনার পাঁচ বছরের চুক্তি আছে। তিন বছরের মাথায় অন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। সমস্যা হবে? না। জাজ মাল্টিমিডিয়ার সঙ্গে আলোচনা করেই শাপলা মিডিয়ার ছবিতে চুক্তি সই করেছি। তা ছাড়া পাঁচ বছরের মধ্যে অন্য কোথাও কাজ করতে পারব না, জাজের সঙ্গে এ ধরনের কোনো লিখিত চুক্তি হয়নি। এটি মৌখিকভাবে বলা হয়েছিল। তবে অভিনয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে পাঁচ বছর শেষ হওয়ার আগেই যেকোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ভালো প্রজেক্টে কাজ করার বাধা ছিল না। এরই মধ্যে কলকাতা আর এখানকার বড় বড় তারকার সঙ্গে কাজ করে নিজেকে তৈরি করতে পেরেছি। এখন অন্য কোথাও কাজে বাধা নেই।‘শাহেনশাহ’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর জাজ মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ কিছু বলেছেন? হ্যাঁ, তিনি আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শাকিব খানের বিপরীতে বড় বাজেটের ছবিতে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি জেনে খুশি হয়েছেন। বলেছেন, আমি যেন ভালো কাজ করার মধ্য দিয়ে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সুনামকে অক্ষুণ্ন রাখি। শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করছি, খবরটা শুনে কলকাতার জনপ্রিয় তারকা জিৎ আমাকে ফোন করেছেন।Eprothomalo জিৎ কী বলেছেন? অভিনন্দন জানিয়েছেন। এভাবে বড় তারকার সঙ্গে বেছে বেছে বড় বাজেটের ছবিতে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করেছেন। জিতের সঙ্গে ‘বাদশা’, ‘বস ২’ আর ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ ছবিতে অভিনয় করেছি। তিনি কিন্তু সব সময়ই আমাকে ভালো কাজের ব্যাপারে উৎসাহ দেন।‘শাহেনশাহ’ ছবিতে দেশের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের বিপরীতে কাজ করবেন। কেমন লাগছে? শাকিব খান বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক। ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও তিনি এখন সমান জনপ্রিয়। তাঁর সঙ্গে প্রথম কাজ করব। আমি খুবই খুশি। শাকিব খান নাচ, অভিনয়—দুটোতেই সমান পারদর্শী। তাই তাঁর সঙ্গে কাজ করব, কিছুটা তো ভয় আছেই।ছবির গল্প শুনেছেন?শুনেছি। চিত্রনাট্য এখনো হাতে পাইনি। রোমান্টিক অ্যাকশন ধাঁচের গল্প। শাকিব খানই শাহেনশাহ। এই শাহেনশাহকে ঘিরে আছে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি চরিত্র। তার মধ্যে একটি চরিত্র আমার। আপাতত এটুকুই বলতে পারি।ছবিতে আরও একজন নায়িকা আছেন? পার্শ্বচরিত্রের একজন নায়িকা আছেন। তবে পরিচালক যেভাবে বলেছেন, তাতে ছবির মূল নায়িকা আমি।কোথায় শুটিং হবে?২৭ আগস্ট ছবির মহরত। ২৮ আগস্ট থেকে টানা শুটিং। প্রথম কয়েক দিন ঢাকাতেই কাজ হবে। তবে বেশির ভাগ কাজ হবে ভারতের হায়দরাবাদের রামুজি ফিল্ম সিটিতে। আর গানগুলোর শুটিং হবে থাইল্যান্ডে।পরপর কয়েকটি ছবিতে শাকিব খানের নায়িকা ছিলেন বুবলী। হঠাৎ আপনি শাকিব খানের নায়িকা হয়েছেন। তাতে বুবলীর সঙ্গে আপনার কোনো ঝামেলা হবে? না না, বুবলীর সঙ্গে কেন ঝামেলা হবে? দেশের একজন জনপ্রিয় তারকা সর্বজনীন হওয়া উচিত। ছবিতে চরিত্রের প্রয়োজনে কিংবা নির্মাতারা যদি মনে করেন, তাহলে শাকিব খানের বিপরীতে অন্য নায়িকারা অভিনয় করতেই পারেন। আমি মনে করি, তারকারা একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে জুটি হয়ে কাজ করলে নতুন স্বাদের ছবি তৈরি হবে। দর্শকও ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের ছবি দেখার সুযোগ পাবেন। পরিচালকেরা নতুন নতুন গল্পের ছবি তৈরিতে উৎসাহিত হবেন।কলকাতার নতুন কোনো ছবিতে আপনাকে দেখা যাবে? হ্যাঁ, দুটি ছবিতে কাজের ব্যাপারে কথা হয়েছে। আলোচনা চূড়ান্ত। আগামী ডিসেম্বর মাসে শুটিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এর মধ্যে একটি ছবিতে বলিউডের কয়েকজন তারকা অভিনয় করবেন। তবে এ ব্যাপারে এখনই কিছু বলতে চাইছি না। শাকিবের সাথে ছবি করা নিয়ে বুবলীর সাথে ঝামেলা যা বললেন ফারিহা ভিডিও,বস ২,শাহেনশাহ,বাদশা,ইন্সপেক্টর নটি কে,
Saturday, August 11, 2018
সত্যিই এটা কি সম্ভব এখনো ৫০ পয়সায় সিঙাড়া, এক টাকায় পরোটা! কিন্তু এটা...
সত্যিই এটা কি সম্ভব এখনো ৫০ পয়সায় সিঙাড়া, এক টাকায় পরোটা! কিন্তু এটা সত্যি দেখুন ভিডিওটি
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে যখন নাভিশ্বাস মানুষের তখন ব্যতিক্রমী এক দোকানির নাম মালেক বিশ্বাস। গত ৩০ বছরেরও অধিক সময় ধরে সিঙাড়া, পরোটা আর আলুর চপের দোকান চালাচ্ছেন তিনি। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য তিনি শুরু থেকেই দোকানে পরোটা এক টাকা আর সিঙাড়া বিক্রি করছেন ৫০ পয়সায়। দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়লেও বাড়েনি মালেকের দোকানের সিঙাড়া আর পরোটার দাম।সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজারে প্রতিষ্ঠিত এ দোকানটি স্থানীয়দের কাছে ‘আট আনার দোকান’ নামে পরিচিত। এলাকার মানুষ দোকানি মালেক বিশ্বাকে একজন সৎ ও সহজ সরল লোক হিসেবেই জানেন। এই আট আনার দোকানে এক টাকার পরোটা, আলুর চপ আর ৫০ পয়সার সিঙাড়া খেতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন অনেকেই। এলাকায় বেশ চাহিদাও রয়েছে এই দোকানের পণ্যের। শ্রীরামপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা জানান, গত ৩০ বছরেরও অধিক সময় ধরে তিনি দোকানটি পরিচালনা করছেন। যেখানে ৫০ পয়সার সিঙাড়া এবং এক টাকার পরোটা ও আলুর চপ বিক্রি করা হয়। ক্রমান্বয়ে জিনিসপত্র ও খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়লেও বাড়েনি এই দোকানের পণ্যের দাম। দোকানটি মুত্যুকাল পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে মালেক বিশ্বাস বলেন, মালপত্রের দাম যতই বাড়ুক আমার দোকানের সিঙাড়া, আলুর চপ আর পরোটার দাম বাড়বে না। সীমিত লাভ হয়। তবে তাতেই আমি খুশি। অনেক আগে এই দোকানের ব্যবসার লাভের টাকা দিয়ে কিছু জমি কিনেছিলাম, সেই জমির ইজারা আর ফসলে সংসার চলে। ব্যবসাটা ধরে রেখেছি ভক্তি আর শ্রদ্ধার কারণে। সত্যিই এটা কি সম্ভব এখনো ৫০ পয়সায় সিঙাড়া, এক টাকায় পরোটা! কিন্তু এটা সত্যি দেখুন ভিডিওটি,
‘নিষিদ্ধ’ হবার পর এবার সারিকা নিখোঁজ দেখুন ভিডিও
‘নিষিদ্ধ’ হবার পর এবার সারিকা নিখোঁজ? দেখুন ভিডিও
ফোন নম্বর বন্ধ। ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ কোনো মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না। ফেসবুকে হঠাৎ উঁকি দিলেও ম্যাসেঞ্জারে পাঠানো প্রশ্নের কোনো কথার উত্তর দিচ্ছেন না সারিকা। কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এই মডেল ও অভিনয়শিল্পীকে। কোথায় তিনি, পরিচিতজনদের অনেকেরই এই প্রশ্ন? প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সারিকা আর তাঁর মায়ের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন করেও কোনো লাভ হয়নি। সারিকা তাহলে কোথায়?ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ও পরিচালক এস এ হক অলীকের নাটকে অভিনয় করেছেন সারিকা। তিনি বলেন, ‘প্রযোজকদের সংগঠন থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আমি নানাভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। ফোন করেছি, এসএমএসও পাঠিয়েছি—কিন্তু সারিকা কোনো উত্তর দেয়নি। আমি শুনেছি, কারও সঙ্গেই তাঁর যোগাযোগ নাই।’অভিনয়জগতে সারিকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু চিত্রনায়ক ইমন। একসঙ্গে তাঁরা দুজন বিজ্ঞাপনচিত্র আর নাটকে অভিনয় করেছেন। বিভিন্ন স্টেজ শোতে তাঁদের পারফর্ম করতে দেখা গেছে। সারিকার সঙ্গে তাঁর বন্ধু ইমনেরও নাকি অনেক দিন কোনো যোগাযোগ নেই। আজ শনিবার দুপুরে ইমন বলেন, ‘ফোনে কথা হতো না। শেষ কথা হয়েছে, তা-ও মাস দুয়েক আগে। এসএমএসে বেশি যোগাযোগ হতো। ওর যে আসলে কী হয়েছে, কিছুই বুঝি না! যথেষ্ট সম্ভাবনাময় একজন মডেল ও অভিনয়শিল্পী। একটু যদি সিরিয়াস হতো, তাহলে অনেক ভালো করতে পারত।এদিকে ‘অ-শিল্পীসুলভ আচরণ’-এর জন্য অভিনয় শিল্পী সংঘের সদস্য সারিকা সাবরিনকে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছে টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেলিপ্যাব)। ১ আগস্ট থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় এই অভিনেত্রী কোনো নাটক, মিউজিক ভিডিও, বিজ্ঞাপনসহ সংগঠনের কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না। গত ১০ এপ্রিল সারিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন প্রযোজক মোহাম্মদ বোরহান খান। তাঁর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ জুলাই টেলিপ্যাবের সালিস বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সংগঠনের কার্যকরী কমিটিতে পাস হয় সিদ্ধান্তটি। সালিস বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন টেলিপ্যাবের সভাপতি মামুনুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক ইরেশ যাকের, সালিস বৈঠকের আহ্বায়ক তারেখ মিন্টুসহ অনেকেই।সাংগঠনিক বিবৃতি থেকে জানা যায়, গত ২১ মার্চ পাঁচটি নাটকের শুটিংয়ে নেপাল যাওয়ার কথা ছিল সারিকার। এর জন্য নির্মাতার কাছ থেকে অগ্রিম পারিশ্রমিক ৫০ হাজার টাকা নেন তিনি। সেই সঙ্গে দেশে ফেরার টিকিট এবং নাটকের চিত্রনাট্য বুঝে নেন। এর আগে ২০ মার্চ সারিকার সঙ্গে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঠিক সময়ে বিমানবন্দর পৌঁছে যাবেন। কিন্তু সঠিক সময়ে বিমানবন্দরে শুটিং ইউনিট পৌঁছালেও সারিকা যাননি। এরপর সারিকাকে ছাড়াই নেপালে চলে যায় শুটিং ইউনিট। তাই পরিকল্পনায় থাকা সারিকাকে নিয়ে পাঁচটি নাটক নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি, যার কারণে প্রযোজক বোরহান খান আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হন। ‘নিষিদ্ধ’ হবার পর এবার সারিকা নিখোঁজ? দেখুন ভিডিও,
এটাই দেশের সবচেয়ে বড় কুরবানির গরু! মুল্য কত জানেন আর কত বড় দেখুন ভিডিওটি
এটাই দেশের সবচেয়ে বড় কুরবানির গরু! মুল্য কত জানেন? আর কত বড় দেখুন ভিডিওটি
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ গ্রামে হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের একটি গরুর ওজন হয়েছে ২ হাজার ৯৪ কেজি অর্থাৎ ৫২ মণ। কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে খামারি খাইরুল ইসলাম খান্নু গরুটির দাম হাঁকাচ্ছেন ২২ লাখ টাকা। এই গরুটিই দেশের সবচাইতে বড় আকারের ও বেশি ওজনের গরু বলে দাবি তার।সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম জাহান বলেন, তিনি ৫ দিন আগে (২৭ জুলাই) ৩ বছর ১০ মাস বয়সী ৬ দাঁতের ওই গরুটির আকার ও ওজন পরিমাপ করেছেন।এতে দেখা যায়, গরুটির উচ্চতা ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি, লম্বা ৮ ফুট, বুকের বেড় ১০ ফুট, মুখের চওড়া ৩ ফুট ২ ইঞ্চি, গলার বেড় ৫ ফুট, শিং ১ ফুট লম্বা, লেজের দৈর্ঘ্য ৪ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং ওজন ২ হাজার ০৯৪ কেজি অর্থাৎ ৫২ মণ।তিনি বলেন, তার জানা মতে এই গরুটিই আকার ও ওজনের দিক থেকে দেশে সবচেয়ে বড়।খামারী খাইরুল ইসলাম খান্নু জানান, দুই বছর আগে সাভার উপজেলার বারাহিরচর এলাকার কৃষক কুদ্দুস মুন্সীর কাছ থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে তিনি ক্রয় করেছিলেন ১৮ মন ওজনের এই হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি।এক বছর লালন-পালনের পর গত কুরবানি ঈদের সময় গরুটির ওজন বেড়ে হয় ৩৯ মন। ক্রেতারা গরুটির দাম করেছিলেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। একটু বেশি দামে বিক্রি করার আশায় অপেক্ষা থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি তিনি গতবার গরুটি বিক্রি করতে পারেননি। গরুটির ওজন বেড়ে হয়েছে ৫২ মণ। এবার তিনি গরুটরি দাম হাঁকাচ্ছেন ২২ লাখ টাকা। এটাই দেশের সবচেয়ে বড় কুরবানির গরু! মুল্য কত জানেন? আর কত বড় দেখুন ভিডিওটি,
Subscribe to:
Posts (Atom)