Thursday, August 30, 2018
এখনো ব্যাংককে নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে তাহলে ঈদ কোথায় করবেন জবাবে যা বলল...
এখনো ব্যাংককে নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে তাহলে ঈদ কোথায় করবেন জবাবে যা বললেন বুবলী দেখুন ভিডিও
চিত্র নায়িকা শবনম বুবলী। এখন বেশ আলোচিত এই অভিনেত্রী। তার কারণ তিনি চিত্রনায়ক শাকিব খানের নায়িকা! গেলো তিনটি বছর ধরে এই নায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করছেন শবনম বুবলী। প্রায় তাদের অভিনীত সাতটি ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।তবে এবারো তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। এবার কোরবানির ঈদে সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে বুবলী অভিনীত ‘ক্যাপ্টেন খান’। এতে শাকিবের নায়িকা হিসেবে দেখা যাবে তাকে। বর্তমানে ছবিটির গানের শুটিং করতে ব্যাংককে অবস্থান করছেন এই জুটি। সেখানে দুটি গান ও অন্য একটি নতুন ছবির গানের দৃশ্যায়ন শেষ করে দেশে ফিরবেন তারা।এদিকে সামনে কোরবানির ঈদ। এই দিন কোথায় থাকবেন নায়িকা? এই নিয়ে জল্পনার যেন শেষ নেই। কারণ বর্তমানে এই নায়িকা শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করছেন। তাকে অনেকেই বুবলীর পরিবারই মনে করেন!তাই ভক্তদের মধ্যে তাদের নিয়ে নতুন কানাঘুষা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, শাকিবকে নিয়ে ব্যাংককে ঈদ করবেন বুবলী। আবার অনেকে বলছেন, হয়ত ঈদের আগে দেশে ফিরে আসবেন তারা।ভক্তদের উদ্বেগ দূর করতে কথা হয় নায়িকা বুবলীর সঙ্গে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, কোথায় ঈদ করছেন এবার? বুবলী বলেন, প্রতিবারের মত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই (বাবা-মা) এবারো ঈদ পালন করবো। এই উৎসবের আগেই সবরকম শুটিং শেষ করে নেবো। আর ঈদের ছুটিতে ঢাকা ফাঁকা থাকে, তাই কিছুটা ঘুরাঘুরি করবো।এদিকে গল্পচ্ছলে বুবলী নতুন একটি খবর দেন। তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত নিজের আয় দিয়ে কোরবানির গরু কেনা হয়নি। সবসময় আমার বাবাই গরু কিনেন। তবে এবার পরিকল্পনা করেছি, নিজের আয়ের টাকায় কোরবানির গরু কিনবো। সত্যিকারের ঈদের তৃপ্তিটা গরু কিনে পেতে চাই। এখনো ব্যাংককে নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে তাহলে ঈদ কোথায় করবেন জবাবে যা বললেন বুবলী দেখুন ভিডিও,
কোরবানি দেওয়া প্রসঙ্গে একি বললেন অপু আর কি কিনেছেন তিনি দেখুন ভিডিও
কোরবানি দেওয়া প্রসঙ্গে একি বললেন অপু আর কি কিনেছেন তিনি দেখুন ভিডিও
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ের কারণে ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলমান হয়েছেন অনেক আগেই। যদিও বিয়ে বিচ্ছেদ হলেও এখনও ধর্ম পরিবর্তন করেননি তিনি। সেক্ষেত্রে মুসলমান ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী তাকেও কোরবানি দিতে হবে। তাই কি কোরবানি দিচ্ছেন, তাই নিয়ে তার ভক্তের আগ্রহের শেষ নেই। সম্প্রতি কোরবানি দেওয়া প্রসঙ্গে দেশের একটি অনলাইন গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী, তার চুম্বক অংশ হল-অপু বলেন, ‘আমার সংসার, দায়িত্বও আমার। কাজের ব্যস্ততা আছে আবার কোরবানিও গুরুত্বপূর্ণ। ছেলের জন্য ঈদের কেনাকাটাও করতে হবে। এক হাতে অনেক কিছু সামলাতে হয়। অনেক কিছু ইচ্ছে থাকলেও পেরে ওঠা যায় না। এ বছরে তাই তিনটি খাসি কোরবানি দেয়ার পরিকল্পনা করেছি। আজকেই কেনা হবে হয়তো। আমার সময় নেই। ইচ্ছে ছিল ছেলেকে পশুর হাট দেখাতে নিয়ে যাব।'তিনি আরও বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানেরই কর্তব্য সামর্থ্য থাকলে কোরবানি দেয়া। পবিত্র এই কোরবানি আত্মত্যাগ আর নিজেকে শুদ্ধ করে নেয়ার অনুপ্রেরণা যোগায়। পশু কোরবানির সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেকে নিজেদের মনের ভেতরের পশুত্বকে, স্বার্থবাদী মনটাকে কোরবানি দেয়ার চেষ্টা করেন। সবার কোরবানি যেন কবুল হয়। আমিও সবার কাছে দোয়া চাই। আমার ছেলে জয়ের জন্য দোয়া চাই।’ কোরবানি দেওয়া প্রসঙ্গে একি বললেন অপু আর কি কিনেছেন তিনি দেখুন ভিডিও,
Wednesday, August 29, 2018
নকল নিয়ে যা বললেন শাকিব খান সত্যিই অবাক আসলেই কি তাই দেখুন ভিডিও
নকল নিয়ে যা বললেন শাকিব খান সত্যিই অবাক আসলেই কি তাই দেখুন ভিডিও
শাকিব খান অভিনীত ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবি’র ট্রেলার বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হওয়ার পর ছবিটি নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তামিল ছবির অনুকরণে ছবিটি তৈরি হয়েছে বলে এমন গুঞ্জন উঠেছে।গুঞ্জন উঠেছে যে, ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তামিল ‘আনজান’ ছবি থেকে নির্মিত হয়েছে ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবিটি।এমন গুঞ্জনের প্রতিউত্তরে শাকিব খান গণমাধ্যমকে জানান, ক্যাপ্টেন খান কোনো নকল ছবি নয়। তবে এটা রিমেক ছবি। একটি তামিল ছবির গল্প বেজ করে ক্যাপ্টেন খান নির্মাণ করা হয়েছে।তিনি আরো জানান, রিমেক ছবিও কিন্তু অনেক সময় আসল ছবিকে ছাড়িয়ে যায়। আপনারা সালমান শাহ’র কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবির কথাই ধরুন। সে ছবিটিও কিন্তু রিমেক । অথচ আসল ছবির চেয়ে সালমান শাহ’র ছবিই কিন্তু বেশি ভালো হয়েছে।আমি বিশ্বাস করি ক্যাপ্টেন খান রিমেক হলেও ওয়াজেদ আলী সুমন আসল ছবির চেয়ে ভালো বানিয়েছেন। ছবিটির আয়োজনও ভালো ছিল। দর্শকরা হলে গিয়ে ছবিটি দেখলেই বোঝতে পারবেন।উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ‘ক্যাপ্টেন ছবি’র ট্রেলার প্রকাশিত হয়েছে। ছবিটি এখন সেন্সরে রয়েছে। এ ছবির মাধ্যেমে দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে কাজ করেছেন মিশা সওদাগর ও শাকিব খান। ছবিটি প্রযোজনা করেছে শাপলা মিডিয়া। এতে শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে রয়েছেন শবনম বুবলী। নকল নিয়ে যা বললেন শাকিব খান সত্যিই অবাক আসলেই কি তাই দেখুন ভিডিও,ক্যাপ্টেন খান,মিশা সওদাগর ,সালমান শাহ,কেয়ামত থেকে কেয়ামত,বুবলি,
যুক্তরাষ্ট্রে সাকিব কন্যার প্রথম স্কুল কিউট আলাইনা স্কুলে কি করছে তা বলল...
যুক্তরাষ্ট্রে সাকিব কন্যার প্রথম স্কুল কিউট আলাইনা স্কুলে কি করছে তা বললেন শাকিব পত্নী শিশির ভিডিও
ছয় বছর আগে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে প্রেমকে বিয়েতে রুপ দিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। বিয়ে করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী উম্মে আহমেদ শিশিরকে। বিয়ের ঠিক তিন বছরের মাথায় সাকিব-শিশিরের ঘর আলো করে আসে কন্যা আলাইনা হাসান অউব্রি।২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করা সাকিব কন্যার বয়স এখন ২ বছর ৯ মাস। শুরু হয়েছে তার শিক্ষা জীবন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রি-স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে সাকিব-শিশিরের কন্যাকে। বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) ছিল অব্রির স্কুলের প্রথম দিন। হেসে-খেলে আর ঘুরে বেড়িয়েই প্রথম দিনটি কাটিয়েছে অউব্রি।প্রথম শ্রেণীর মূল ধারার পড়াশুনা শুরুর আগে বাচ্চাদের স্কুলের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্যই প্রি-স্কুলের ব্যবস্থা আছে বিশ্বের অনেক দেশেই। বাংলাদেশেই কয়েক বছর থেকে প্রি-স্কুল পদ্ধতি বেশ ভালোভাবেই চালু হয়েছে।প্রি-স্কুলে বাচ্চাদের অক্ষরের সাথে পরিচয় করে দেওয়া হয়। এছাড়া ছড়া বলা, রং চেনার পাশাপাশি খেলাধুলার দিকেও নজর দেওয়া হয় এখানে। এরকম এক স্কুলের যাত্রা শুরু করেছে সাকিবকন্যা।আর এই অভিজ্ঞতাই কন্যার স্কুলে প্রথম দিন কাটানোর বেশ কিছু মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন শিশির। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, ‘স্কুলের প্রথম দিন #আমার মেয়ে #দ্রুত বড় হচ্ছে #মাশাআল্লাহ #প্রিস্কুলার।’প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অব্রির নানান সময়ের ছবি দেখা যায়। সাকিবপত্নী শিশিরই অউব্রির সব ছবি পোস্ট করেন। যুক্তরাষ্ট্রে সাকিব কন্যার প্রথম স্কুল কিউট আলাইনা স্কুলে কি করছে তা বললেন শাকিব পত্নী শিশির ভিডিও,
Tuesday, August 28, 2018
প্রভার পেছনে দীর্ঘদিন ঘুরেছেন আশরাফুল ভিডিও
প্রভার পেছনে দীর্ঘদিন ঘুরেছেন আশরাফুল ভিডিও
প্রভার সাথে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার পর দীর্ঘদিন এই বিষয়ে একদম চুপ ছিলেন প্রভার একসময়ের আলোচিত প্রেমিক রাজীব। এবার আবার নতুন করে মুখ খুলেছেন তিনি। ফাটিয়েছেন ভয়ঙ্কর বোমা।রাজিবের দাবি জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল প্রভার সাথে প্রেম করার জন্য দীর্ঘদিন তার পেছনে ঘুরঘুর করেছে। সম্প্রতি তিনি একটি ব্লগে তার এবং প্রভার সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে লিখেছেন। সেখানে রাজীব প্রভার সাথে তার সম্পর্কের এমন সব ব্যাপার নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে প্রভার সাথে তার শারীরিক সম্পর্কের ব্যাপারে যেমন খোলাখুলি লিখেছেন, তেমনি লিখেছেন কারা প্রভাকে পাওয়ার জন্য ঘুরঘুর করত। রাজীব ব লিখেছেন, এ এক অদ্ভূত মায়াজাল। যে এই জালে জড়িয়েছে, তার যেমন আফসোসের শেষ নেই, তেমনি যে জড়ায়নি, তারও আফসোসের শেষ নেই। স্কুল বেলায় রসায়নে জারণ বিজারণ পড়েছিলাম। জারণ মানে ছারণ, আর বিজারণ হইলো গ্রহণ। প্রেমটাও ঠিক তেমনি। এখানে জারণ বিজারণের মত সবকিছুই যুগপৎ ঘটে। কেউ ছারে, আর কেউ সেইটা ধরে। কেউ এই জারণ বিজারণ করলে লোকে লীলাখেলা বলে, কেউ বা করলে বলে পাপ। আমিও এই মায়া থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারি নি। জারণ-বিজারণ খেলায় মেতেছিলাম এক রমণীর সাথে। হ্যাঁ। তার নাম প্রভা, সাদিয়া জাহান প্রভা। তার সম্পর্কে আশা করি আর কোন ভূমিকা না দিলেও চলবে। আপনারা সবাই তাকে নিয়ে নিজেদের মত করে ভূমিকা এতক্ষণে বানিয়ে নিয়েছেন, তা আমি জানি। তিনি লিখেছেন, সবাই বলে আপনি নষ্ট লোক, আপনি প্রভার এক্স। যা বলছিলাম। প্রভার সাথে আমার জারণ বিজারণটা হয়েছিল একদম সোডিয়াম এর সাথে ক্লোরিনের মত! প্রভা ইলেক্ট্রন ছাড়ার আগেই আমি ধরার জন্য ঘুরঘুর করছিলাম! ছাড়ামাত্রই ধরে ফেলেছিলাম! তাইতো আমাদের বন্ধন হয়েছিল পুরাই আয়নিক। কিন্তু আমাদের এই বন্ধন কারোই সহ্য হয় নি। কারণ প্রভার মত লক্ষী, সুন্দরী, স্বামীর প্রতি অনুগত, মোটকথা আদর্শ একটা মেয়ের উপর অনেকেরই কুনজর পড়েছিল। মোহাম্মদ আশরাফুল থেকে শুরু করে অনেকেই তার পিছনে লাইন মারা শুরু করেছিল। তবে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় হারামজাদা ছিল অপূর্ব।তবে এবিষয়ে আশরাফুলের কোনো মন্তব্য না পাওয়ায় বিষয়টির সত্যাতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রভার পেছনে দীর্ঘদিন ঘুরেছেন আশরাফুল ভিডিও,
Monday, August 27, 2018
মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী এক ‘নষ্ট মেয়ের’ করুণ কাহিনী দেখুন ভিডিও
মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী এক ‘নষ্ট মেয়ের’ করুণ কাহিনী দেখুন ভিডিও
বিদেশে বাংলাদেশী মেয়েরা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে- এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। মালয়েশিয়ার এখানে সেখানে মেয়েরা দেহ ব্যবসায় জড়িয়ে আছে বলে প্রায়ই শোনা যায়। ধারনা করা যায়, কলিং ভিসার নামে যে পরিমান মেয়ে মালয়েশিয়া এসেছে তার চেয়ে কয়েকগুন বেশী এসেছে ট্যুরিষ্ট ভিসায় বা কারো বউ সেজে ডিপেন্ডেন্ট ভিসায়।জীবনে স্বচ্ছলতা আনার জন্য একটি মেয়ে যখন মালয়েশিয়া আসে তখন তার চোখে মুখে থাকে রাজ্যের স্বপ্ন। অবশ্য অনেকের সরাসরি যুক্তি ভালো মেয়েরা বিদেশে কাজ করতে আসে না।তাদের উদ্দেশ্য থাকে ভিন্ন। কিন্তু বহু মেয়ের অভিযোগ, খারাপ কাজ করে পয়সা উপার্জন করতে চাইলে মালয়েশিয়া আসতে হয় না, তা বাংলাদেশেই সম্ভব।টেলিফোনে সাথী (ছদ্মনাম) নামের একটি মেয়ে জানায় তার জীবন কাহিনী। যা মালয়েশিয়ার বহু বাংলাদেশী মেয়ের জীবন কাহিনীও প্রায় একই রকম বলে সাথীর দাবী। ছদ্মনাম প্রকাশের শর্তে সেই মেয়েটির সরল স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছে “আমি কেন নষ্ট হলাম”।মুন্সীগঞ্জের মেয়ে সাথী। গত কয়েক বছর আগে ট্যুরিষ্ট ভিসায় আসে মালয়েশিয়া। সর্বসাকুল্যে খরচ পরে ১ লাখ টাকা। বর্তমানে থাকে কুয়ালালামপুরের নিলাই এলাকায়।কথা ছিল সে ভালো বেতনে কাজ করবে, মালিক থাকা খাওয়া ও ওয়ার্ক পারমিটের ব্যবস্থা করে দিবে। কিন্তু এখানে এসে সে দেখেতে পায় সব মিথ্যে। প্রতারনার জালে আটকে পড়েছে সে।ওলট পালট হয়ে যায় তার স্বপ্নগুলো। খুঁজে পায় এক অন্ধকার জগৎ। ঘন্টা খানেকের টেলিফোন আলোচনায় সাথী জানায়, আমার একটি সুন্দর সংসার ছিল। স্বামী সন্তান ছিল। বছর দশেক আগে মা বাবার অমতে অল্প বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল এলাকার এক ছেলেকে।বছর খানেক পর তাদের সংসারে ফুটফুটে একটি মেয়ে আসে। এরপর আস্তে আস্তে চুরমার হতে থাকে সাথীর সুখের সংসার। স্বামী ফেনসিডিলে আসক্ত হয়ে ঘরের আসবাব পত্র সব বিক্রি করতে থাকে। স্বামী ঠিকমত কাজ কর্ম করে না।সংসারে অভাব অনটন দেখা দেয়। ক্রমশঃ বিক্রি হয়ে যায় তার কিছু স্বর্নালংকারও। সাথী প্রতিবাদ করলে নেশাগ্রস্থ স্বামীর মারধর কপালে জুটে। শিশুর দুধ কেনা দূরের কথা ঠিকমত সে ঘরেও ফিরে না।জীবনটা অতিষ্ঠ হয়ে উঠে সাথীর। সে ভাবে কি ভুল সে করেছে। মা বাবার কাছেও মুখ তুলে দাঁড়াতে পারে না। শিক্ষিত মেয়ে সাথী বেঁচে থাকার অবলম্বন খুঁজতে থাকে। অন্ততঃ সন্তানের জন্য কিছু একটা করতে চায় সে।চাকুরীর জন্য এখানে সেখানে ছুটেও লাভ হয় না। তারপর টাকার জন্য নেশাখোর স্বামীর নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়েছে। একসময় পরিচয় হয় ঢাকার ছেলে জসিমের সাথে। তাকে সে ধর্মভাই বলে ডাকে।জসিমও কথা দেয় সে তার জন্য একটা পথ খুঁজে দিবে। মালয়েশিয়ায় যাতায়াত রয়েছে জসিমের। সে সুবাদে সাথীকে মালয়েশিয়া চাকুরীর প্রস্তাব দিলে সাথী খুশীতে আটখানা হয়ে পড়ে সে। কখনো স্বপ্নেই ভাবেনি বিদেশ আসবে।বড় বোনের কাছে লুকিয়ে রাখা স্বর্নালংকার বিক্রি ও ধারকর্জ নিয়ে মালয়েশিয়ায় ট্যুরিষ্ট ভিসায় আসে সাথী। মেয়েটিকে রেখে আসে বোনের কাছে। কিন্তু মালয়েশিয়া এসে জসিমের কথা ও কাজে মিল খুঁজে পায় না সে।জসিম তাকে তুলে দেয় বাবুল নামে এক প্রতারক দালালের হাতে। পাসপোর্ট গচ্ছিত থাকে বাবুলের কাছে। এদিকে ভিসার মেয়াদ শেষে ওভার ষ্টে হয়ে পরে সে। এক ঘরে তার বন্দী জীবন কাটে। দেশে রেখে আসা মেয়েটির কথা মনে পড়ে।ইচ্ছে হয় দেশে ফিরে যেতে। কিন্তু সে পথ বন্ধ হয়ে গেছে। বাবুলের কথামত তাকে চলতে হয়। বাবুল তাকে খারাপ প্রস্তাব দেয়, সাথী ঘৃনাভরে তা প্রত্যাখ্যান করে। বাবুল ও তার দু’বন্ধু এক রাতে মাতাল হয়ে সারা রাত তাকে উপর্যুপরি করে।কোথাও বিচার দেবার পথ থাকে না তার। সাথী বুঝতে পারে তার ঐ ধর্মভাই (?) বাবুলের কাছে তাকে বিক্রি করে গেছে। একদিন অপর এক বাংলাদেশী তাকে চাকুরী দেবার নাম করে সেখান থেকে তাকে পালিয়ে নিয়ে যায় পুচং এলাকায়।কিন্তু সেও চাকুরী না দিয়ে তাকে সে ভোগ করে। এদিকে কয়েকমাস হলো দেশে একটা টাকাও পাঠাতে পারে না সে। এমন কি নিজের জন্যও টাকা উপার্জন করতে পারে না। ঐ ছেলেটিই তার উপার্জনের পথ খুলে দেয়।সাথী এখন সবার। টাকার বিনিময়ে সে এখন দেহ বিক্রি করে। কখনো পুচং, কখনো কাজাং হয়ে তারপর বর্তমানে নিলাইতে ৫টি মেয়ে একসাথে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছে। টেলিফোনে সাথী জানায়- এখন আমার টাকার অভাব নেই।মাসে ২ থেকে ৫ হাজার রিঙ্গিতও আয় হয়। অবশ্য বাংলাদেশী দালালরা এর একটা অংশ ভাগ পায়। ওরাই খদ্দের জোগাড় করে দেয়। তবে চায়নীজ নিউ ইয়ারে তার ইনকাম হয়েছে সবচেয়ে বেশী ৫ হাজার রিঙ্গিত।সাথী জানায়, মাঝে মধ্যে তার দালালরাই পুলিশের ঝামেলা থাকলে সেটা মেটায়। টেলিফোন আলাপে সাথীকে বলা হয় অনেকের অভিযোগ আপনাদের এসব কর্মকান্ডের কারনে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে আপনি কি বলবেন?প্রতিবাদীকন্ঠে জ্বলে উঠে সে। কেন, আমি কি বেশ্যাবৃত্তি করার জন্য মালয়েশিয়া এসেছিলাম না চাকুরী করতে এসেছিলাম? যতগুলো মেয়েকে আমি দেখেছি তারা চাকুরী করতে এসে বাংলাদেশী ছেলেদের কারনেই এদেশে এ পেশায় এসেছে। পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করেছে।মেয়েরা ছেলেদের কাছে গেলে বেশ্যা হয়, আর ছেলেরা মেয়েদের কাছে গেলে হয় বাদশা। আমাদের জন্য যদি দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় তাহলে ছেলেরা কেন আমাদের কাছে আসে? তারাতো দেশে বাপ মা কে টাকা না পাঠিয়ে ইন্দোনেশীয়ান মেয়েদের নিয়েও ফুর্তি করছে।কই কেউ তো বলছে না ওদের জন্য দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। রাস্তা দিয়ে হাঁটলে যারা আমাদের নষ্ট বলে নানা মন্তব্য করে তারাই চোরের মতো আমাদের কাছে এসে তাদের ক্ষুধা মেটায়। আমার কাছে রাতের অন্ধকারে বড় বড় বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ও নামী দামী বাংলাদেশী লোকও আসে।যদি এদের মুখোশটা খুলে দেই তখন ঐ ভদ্রলোকদের অবস্থাটা কি দাঁড়াবে? দালালরা যখন মালয়েশিয়ায় লোক এনে এখানে সেখানে ফেলে রাখে, দু’নম্বরী কাজ করে, অপহরন করে তখন দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় না।আর আমরা পয়সার জন্য দেহ বিক্রি করলে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়ে যায়? আমি কেন বেশ্যা হলাম? বাংলাদেশের ঐ নরপশুরাই তো আমাকে বেশ্যা বানিয়েছে।আমি না খেয়ে দুই দিন এদেশে কাটিয়েছি কেউ তো এসে বলে নি- বোন এই নাও ১০টা টাকা দিলাম এটা দিয়ে খেও। যখন আমি শরীর খুলে দিলাম তখন ওদের টাকার অভাব হয় না। বেশ্যা কে, আমি না ওরা। তাহলে কেন আমাদের ঘাড়ে দোষ চাপানো হয়।সাথীর তীব্র অনুরোধ- দাদা আমার কথাগুলো আপনি পত্রিকায় তুলে ধরবেন। প্রশ্ন করা হয় এ পর্যন্ত দেশে কত টাকা পাঠিয়েছেন? তৃপ্তিমাখা কন্ঠে জানায়, প্রায় ৪ লাখ। মেয়েটি এখন ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ছে।দেশে একটা ছোট্ট জায়গা কিনেছি। দেশে যাবেন কবে? কিছুক্ষন নিরুত্তর থেকে সাথী জানায়, কবে যাবো এখনো স্থির করিনি। তবে আর কিছু টাকা হলে আমার একটা স্বপ্ন আছে দেশে গিয়ে একটা ভালো দোকান দেব। মেয়েটিকে ডাক্তার বানাবো। মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশী এক ‘নষ্ট মেয়ের’ করুণ কাহিনী দেখুন ভিডিও,
অন্ধকার ঘরে চাঁদের আলো! ,সত্যিই অসাধারণ ভিডিও
অন্ধকার ঘরে চাঁদের আলো! সত্যিই অসাধারণ ভিডিও
দীপ্তি ও তৃপ্তি অন্ধকার ঘরে চাঁদের আলো হয়ে দেখা দিয়েছেন তারা। পাবনার চাটমোহরে তাদের বাড়ি। বাড়িতে নেই টয়লেট, নেই খাবার পানির সুব্যবস্থা; নেই বিদ্যুৎ সংযোগও। দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত এ সংসারের সবাইকে সকাল হলেই প্রাকৃতিক কাজ সারতে যেতে হয় প্রতিবেশীর বাড়ি অথবা ঝোঁপঝাড়ে।দারিদ্র্যের অন্ধকারে নিমজ্জিত চাটমোহর পৌরশহরের বালুচর মহল্লার দিনমজুর দুলাল চূর্ণকারের পরিবারটি এভাবেই মৌলিক চাহিদা পূরণেই হিমসিম খাচ্ছে।তবে এমন অন্ধকার ঘরে চাঁদের আলো হয়ে দেখা দিয়েছে দুলালের দুই মেয়ে দীপ্তি ও তৃপ্তি। সব প্রকার অভাব-অনটনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দীপ্তি বিএ শেষ বর্ষে ও তৃপ্তি একাদশ শ্রেণিতে পড়ছেন।দুলাল চূর্ণকার জানান, তার মেয়েরা মেধাবী ও খুব পরিশ্রমী। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় কেরোসিনের বাতি দিয়ে পড়াশোনা করে চোখে ঝাপসা দেখতে শুরু করেছে তারা। এ ছাড়া টিউবওয়েল না থাকায় সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন গোসলবিহীন থাকতে হয়। এতে তারা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।সংসার ও মেয়েদের পড়াশোনা কীভাবে চলছে, জিজ্ঞেস করলে দুলাল জানান, উপবৃত্তি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে কোনোমতে মেয়েরা তাদের পড়ালেখার খরচ চালিয়ে নেয়। কিন্তু দিনমজুরির অর্থ দিয়ে সংসার চলে না।দীপ্তি ও তৃপ্তির বলেন, আমরা এখন বড় হয়েছি। মেয়েমানুষ হয়ে প্রতিদিন প্রতিবেশীদের বাড়িতে প্রাকৃতিক কাজ সারতে যেতে লজ্জা লাগে। বাবার সামর্থ্য থাকলে কোনো কিছুরই অভাব রাখতেন না; শুনেছি কষ্টের সঙ্গে সুখ আসে। আমরা সেই দিনের অপেক্ষায় আছি।এদিকে সরকারি জায়গা লিজ নেয়া জমি থেকে দীপ্তির পরিবারকে তুলে দিতে প্রভাবশালী এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।দিনমজুর দুলাল চূর্ণকারের এমন করুণ পরিণতির ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরকার অসীম কুমারকে অবগত করা হলে তিনি বিষয়টি পরিবারটিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকমের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। অন্ধকার ঘরে চাঁদের আলো! সত্যিই অসাধারণ ভিডিও,
Subscribe to:
Posts (Atom)